পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিয়েও শারীরিক ক্লান্তি কাটছে না? কয়েকটি খাবার খেলে চাঙ্গা থাকবেন সর্ব ক্ষণ

6th February 2024 8:17 pm Country News
পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিয়েও শারীরিক ক্লান্তি কাটছে না? কয়েকটি খাবার খেলে চাঙ্গা থাকবেন সর্ব ক্ষণ


একটানা কাজ করে ক্লান্ত লাগা স্বাভাবিক। কিন্তু অনেক সময় এমন হয় যে, সারা রাত ঘুমোনোর পরেই অস্বাভাবিক ক্লান্ত লাগছে। ঘুম ভাঙার পর শরীর যেন দুর্বল হয়ে প়ড়ে। আসলে শরীরের উপর একটানা ধকল গেলে এমন হওয়া অস্বাভাবিক কিছু নয়। তখন কাজ কমিয়ে বিশ্রাম নেওয়ার দরকার পড়ে। শুধু তো অত্যধিক পরিশ্রমের জের নয়, ক্লান্তি কিন্তু অন্য রোগেরও উপসর্গ হতে পারে। তবে সারা ক্ষণ ক্লান্তি ভাব আর ঝিমুনি দূর করতে খাওয়াদাওয়ার দিকে একটু বাড়তি নজর দিতে হবে। নিয়ম করে কোন খাবারগুলি খেলে শরীর চাঙ্গা থাকবে জানেন?

কলা

 

পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম ও ফাইবারে ভরপুর কলা খেলে শরীরে তাৎক্ষণিক স্ফূর্তি আসে। জলখাবারে নিয়মিত একটি করে কলা খেতে পারেন। কলায় থাকা প্রাকৃতিক শর্করা দ্রুত ভেঙ্গে শক্তিতে রূপান্তরিত হতে পারে।

ডিম

 

রোজের ডায়েটে ডিম রাখাও ভীষণ জরুরি। ডিম স্বাস্থ্যকর ফ্যাট ও প্রোটিনের ভাল উৎস। একটি ডিমে সাত গ্রাম ফ্যাট ও ৫ গ্রাম প্রোটিন থাকে। তা ছাড়া, বিভিন্ন প্রকার ভিটামিন ও খনিজে ভরপুর ডিম খেলে শরীরে স্ফূর্তি আসে।

ড্রাই ফ্রুট

 

শরীরের ক্লান্তি দূর করতে এক মুঠো ড্রাই ফ্রুট দারুণ কাজে দেয়। খিদে পেলে ভাজাভুজি না খেয়ে কাঠবাদাম, কিশমিশ, আখরোট, পেস্তা, খেজুরের মতো ড্রাই ফ্রুট খেতে পারেন। ১০০ গ্রাম ড্রাই ফ্রুটে ৩৫৯ ক্যালোরি থাকে। শরীরে আয়রনের চাহিদা মেদাতেও দারুণ উপকারী ড্রাই ফ্রুট।

 

ডার্ক চকলেট

 

এতে থেরোব্রোমাইন ও ক্যাফিন থাকে। শরীরে তাৎক্ষণিক শক্তির জোগান দিতে এই দুই উপাদানের জুড়ি মেলা ভার। তাই ক্লান্ত লাগলে মুখে ডার্ক চকলেট পুরে দিলেই হবে মুশকিল আসান।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।