কোলেস্টেরলের ভয়ে বাইরের খাবার বন্ধ? অল্প তেলে বাড়িতেই বানিয়ে ফেলুন চিকেন পেরি পেরি

6th February 2024 8:16 pm Country News
কোলেস্টেরলের ভয়ে বাইরের খাবার বন্ধ? অল্প তেলে বাড়িতেই বানিয়ে ফেলুন চিকেন পেরি পেরি


সন্ধ্যা হলেই চপ, কাটলেট, রোলের হাতছানিতে দিন দিন বাড়ছে কোলেস্টেরলের মাত্রা। অথচ সামান্য সময় খরচ করলেই কিন্তু বাড়িতেই বানিয়ে ফেলা যায় রেস্তরাঁর মতো সুস্বাদু সব পদ। সন্ধ্যাবেলা চায়ের সঙ্গে বানিয়ে ফেলতে পারেন পেরি পেরি চিকেন। সামান্য কয়েকটি উপকরণ দিয়েই বানিয়ে ফেলুন এই পদ। রইল রেসিপি।

উপকরণ:

 

মুরগির মাংস: ৩০০ গ্রাম (হাড় ছাড়া)

পেঁয়াজ: ১টি

 

রসুনের কোয়া: ৪টি

 

কাঁচালঙ্কা: ৩টি

 

লেবুর রস: ১ টেবিল চামচ

 

রেড চিলি সস: ১ টেবিল চামচ

 

চিলি ফ্লেক্স: ১ চামচ

 

অরিগ্যানো: ১ চামচ

 

নুন ও গোলমরিচ: স্বাদ মতো

 

লাল ক্যাপসিকাম: ১টি

 

টোম্যাটো পিউরি: ১ টেবিল চামচ

 

ভিনিগার: ১ টেবিল চামচ

 

সাদা তেল: ৫ চামচ

প্রণালী:

 

লাল ক্যাপসিকাম ভাল করে আগুনে ঝলসে নিন। এ বার মিক্সিতে পেঁয়াজ, রসুন, লঙ্কা, ঝলসানো ক্যাপসিকাম, টোম্যাটো পিউরি, ভিনিগার, লেবুর রস, রেড চিলি সস ও সব রকম গুঁড়ো মশলা একসঙ্গে মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে নিন। এ বার একটি পাত্রে মাংসের টুকরোগুলি নিয়ে বানিয়ে রাখা মিশ্রণের সঙ্গে ভাল করে মিশিয়ে নিন। মিশ্রণে খানিকটা তেল দিয়ে ঘণ্টাখানেক মাখিয়ে রাখুন। এ বার একটি ননস্টিক প্যানে সামান্য তেল গরম করে মাংসের টুকরোগুলি ভাল করে সেঁকে নিন। মেয়োনিজের সঙ্গে গরমাগরম পরিবেশন করুন পেরি পেরি চিকেন।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।