‘বিগ বস্‌’-এর ঘরে পেয়েছিলেন ‘চরিত্রহীন’ তকমা! বিজয়ী হওয়ার পর অপমানের কী জবাব দিলেন মুনাওয়ার?

5th February 2024 12:14 pm Country News
‘বিগ বস্‌’-এর ঘরে পেয়েছিলেন ‘চরিত্রহীন’ তকমা! বিজয়ী হওয়ার পর অপমানের কী জবাব দিলেন মুনাওয়ার?


বিজয়ীর ট্রফি তাঁর হাতে এসেছে। কিন্তু ‘বিগ বস্‌ ১৭’-এর ঘরে মুনাওয়ার ফারুকির তিন মাসের সফর খুব একটা সুখকর ছিল না। খারাপ ব্যবহার, অপমান তাঁকে সহ্য করতে তো হয়েছেই, সেই সঙ্গে কম অপবাদও পাননি তিনি। এমনকি ‘চরিত্রহীন’ তকমাও সেঁটে দেওয়া হয়েছে তাঁর গায়ে। ‘বিগ বস্‌’-এর ঘরে থাকাকালীন এ ধরনের মন্তব্যের কোনও প্রতিবাদ করেননি মুনাওয়ার। কিন্তু ‘বিগ বস্‌’ থেকে বেরিয়ে আসার পর মুখ খুললেন তিনি।

‘বিগ বস্‌’ জিতে মুনাওয়ারের প্রাপ্তি হয়েছে অনেক কিছু। মোটা অঙ্কের পারিশ্রমিক, গাড়ি, আর্থিক পুরস্কার এবং সেই সঙ্গে প্রভূত সম্মান তো রয়েছেই। এত প্রাপ্তির পরেও মন থেকে যেন কোনও ভাবেই খুশি হতে পারছেন না মুনাওয়ার। ‘বিগ বস্‌’-এর ঘরে তাঁর সঙ্গে প্রতিটি ঘটনা, তাঁর দিকে ধেয়ে আসা কটাক্ষ, অপমান কিছুতেই যেন ভুলতে পারছেন না তিনি। সেই সব স্মৃতি তাড়া করে বেড়াচ্ছে তাঁকে। মুনাওয়ার পেশায় কৌতুকশিল্পী। কিন্তু ‘বিগ বস্‌’ থেকে বেরিয়ে নিজেই যেন হাসতে ভুলে গিয়েছেন তিনি। কিন্তু কেন তিনি সব কিছু মুখ বুজে সহ্য করছিলেন? কেন কোনও প্রতিবাদ করেননি?

নিন্দকদের মতে, দর্শকের কাছে নিজেকে ভাল সাজাতেই কিছু বলেননি মুনাওয়ার। যাতে সমস্ত সহানুভূতি তাঁর দিকেই থাকে, সেই জন্য এমন একটি পরিকল্পনা করেছিলেন তিনি। কিন্তু মুনাওয়ার অবশ্য অন্য কথা বলছেন। মুনাওয়ার বলেন, ‘‘আমি এমনিতে অত্যন্ত গোছানো একটি মানুষ। কিন্তু গত বছরের মাঝামাঝি আমার জীবনে এমন অনেক ঘটনা ঘটেছিল, যে কারণে আমি মানসিক ভাবে দুর্বল হয়ে পড়েছিলাম। আর ঠিক সেই সময়ই আমি ‘বিগ বস্‌’-এর ঘরে ঢুকি। আমি যদি ব্যক্তিগত ভাবে ভাল থাকতাম, তা হলে এই ধরনের অপমানের যোগ্য জবাব আমি তখনই দিতাম। কিন্তু তখন আমার মনে হয়েছিল, চুপ করে থাকাটাই বোধ হয় শ্রেয়। কথায় কথা বাড়ে। ভেবেছিলাম, ধীরে ধীরে আমাকে নিয়ে বাকিদের ধারণায় বদল আসবে। কিন্তু দুঃখিত, সেটা আসেনি। এখন মনে হচ্ছে, তখনই প্রতিবাদ করলে ভাল হত। তবে পরবর্তী ক্ষেত্রে এমন কিছু হলে আর চুপ করে থাকব না।’’





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।