দাড়ি কাটলেই ত্বকে জ্বালা ও চুলকানি হয়? তাহলে এর জন্য যা যা করণীয়

4th February 2024 11:15 pm Country News
দাড়ি কাটলেই ত্বকে জ্বালা ও চুলকানি হয়? তাহলে এর জন্য যা যা করণীয়


সব পুরুষই কমবেশি দাড়ি কাটেন। অনেকেই লম্বা দাড়ি রাখেন, আবার অনেকেই নিয়মিত দাড়ি শেভ করেন। বিশেষ করে যারা কর্পোরেট সংস্থায় কাজ করেন তারা নিয়মিত অফিসে যাওয়ার আগে প্রতিদিনই দাড়ি কামান।প্রতিদিন গালে রেজার ব্যবহার করার ফলে ত্বক হয়ে পড়ে রুক্ষ ও শুষ্ক। তাছাড়া শেভ করার পরে ত্বকে জ্বালা-চুলকানিও হতে পারে।ত্বকে র্যাশও বের হতে পারে। এর ফলে অস্বস্তি বেড়ে যায়। আবার অনেকেরই শেভ করার পর মুখে ফুসকুড়িও বের হয়ে থাকে।এসব সমস্যা থেকে বাঁচতে চাইলে, শেভ করার সময় কয়েকটি নিয়ম মেনে চলা জরুরি। অনেক সময় মানহীন রেজার ব্যবহারের কারণে এমন সমস্যা হতে পারে। তাই সবসময় ভালো কোয়ালিটির রেজার ব্যবহার করার উচিত। জেনে নিন শেভ করার পর যা যা করা উচিত-

>> ত্বক যত বেশি শুষ্ক হবে, শেভ করার পরে জ্বালা ও চুলকানি হওয়ার সম্ভাবনা তত বেশি। তাই শেভ করার অন্তত ৬ ঘণ্টা আগে মুখে ভালোভাবে ময়েশ্চারাইজার বা অ্যালোভেরা জেল ব্যবহার করুন। এতে আপনার ত্বক ময়শ্চারাইজড ও হাইড্রেটেড থাকবে।

>> লম্বা দাড়ি হলে প্রথমে কাঁচি দিয়ে ছেঁটে নিন। কারণ লম্বা দাড়ি রেজার দিয়ে কাটতে গেলে একই স্থানে একাধিক বার ব্লেড ছোঁয়াতে হয়। ফলে ত্বকে ক্ষত হওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে।

>> অনেকেই দাড়ি কাটার সময় চুলের বৃদ্ধির উল্টোদিকে রেজার চালান। যা একেবারেই ভুল। সব সময় চুলের বৃদ্ধি যেদিকে হয়েছে সেদিকেই শেভ করুন। যদি আপনি দাড়ি বৃদ্ধির উল্টো দিকে শেভ করেন, তাহলে চুলের ফলিকলের স্বাভাবিক বৃদ্ধির পক্ষে ব্যাঘাত ঘটবে।

>> দাড়ি কাটার জন্য সঠিক শেভিং ক্রিম ব্যবহার করুন। ত্বকের ধরন অনুযায়ী শেভিং ক্রিম বা ফোম অথবা জেল বেছে নিন। যেসব ক্রিমে বেশি ফেনা হয়, সেগুলো ব্যবহার করুন। এতে ত্বক মোলায়েম থাকবে।

>> দাড়ি কাটার পর অবশ্যই মুখে লোশন ব্যবহার করুন। শেভ করার পর ত্বকের জ্বালা-চুলকানি কমাতে অবশ্যই অ্যালোভেরা জেল ব্যবহার করুন। অথবা আফটার-শেভ লোশন গালে মাখুন। তাহলে অনেকটাই নিয়ন্ত্রিত হবে জ্বালাভাব।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।