স্বামী-মেয়েকে নিয়ে ১৬৬ কোটি টাকার প্রাসাদ ছেড়ে রাতারাতি অন্য বাড়িতে ওঠেন প্রিয়ঙ্কা চোপড়া। কিন্তু সেখানে কার ছায়া দেখলেন অভিনেত্রী?

3rd February 2024 6:38 pm Country News
স্বামী-মেয়েকে নিয়ে ১৬৬ কোটি টাকার প্রাসাদ ছেড়ে রাতারাতি অন্য বাড়িতে ওঠেন প্রিয়ঙ্কা চোপড়া। কিন্তু সেখানে কার ছায়া দেখলেন অভিনেত্রী?


নিক জোনাসে সঙ্গে বিয়ের পর থেকে পাকাপাকি ভাবে লস অ্যাঞ্জেলেসে বাস প্রিয়ঙ্কা চোপড়ার। সেখানেই ১৬৬ কোটি টাকার এক প্রাসাদোপম বাংলোয় থাকে জোনাস পরিবার। ২০১৯ সালে ২০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার খরচ করে ওই বাংলো কিনেছিলেন নিক ও প্রিয়ঙ্কা, ভারতীয় মুদ্রায় যার মূল্য ১৬৬ কোটি টাকা। সেই বাড়িতেই নাকি জল লিক করা শুরু হয়েছে। ক্রমাগত জল লিক করতে থাকায় বসবাসের অযোগ্য হয়ে উঠেছে কোটি টাকার সেই বাংলো। খবর, বার্বিকিউয়ের ডেক থেকে শুরু করে বাংলোর ভিতরের জায়গাও নাকি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে জল লিকের কারণে। অতিষ্ঠ হয়ে তাঁদের স্বপ্নের প্রাসাদ ছাড়তে বাধ্য হন প্রিয়ঙ্কা। যে বিক্রেতার কাছ থেকে বাংলোটি কিনেছিলেন, তাঁর বিরুদ্ধে নাকি ইতিমধ্যেই অভিযোগ দায়ের করেছেন যুগল। তবে রাতারাতি বাড়ি বদলের একটা ঝক্কি রয়েছে। সঙ্গে আচ্ছে ছোট্ট মালতী। আপাতত নতুন একটি বাড়িতে উঠেছেন তাঁরা, কিন্তু সেখানে কার ছায়া দেখলেন অভিনেত্রী?

মিথ্যে বলে ওই বাড়ি নিক-প্রিয়ঙ্কাকে গছিয়েছিলেন বাড়ির মালিক। শেষমেশ কাছাকাছি একটি বাড়ি পেয়েছেন তাঁরা। নিজের নতুন বাড়ির এক ঝলক পোস্ট করেছেন প্রিয়ঙ্কা। ছবিতে দেখা যাচ্ছে সামনে বড় কাচের জানলা, বৃষ্টির জানলায় ভিজেছে কাচ। জানলার সামনে কাঠের চেয়ার-টেবিল। জানলার ওপারে রাস্তা। বৃষ্টিভেজা দিনে পঙ্কজ উধাসের ‘অউর আহিস্তা কিজিয়ে বাতেঁ...’ গানে মজে। এর মাঝেই একটি ছায়ার ছবি দেন অভিনেত্রী। সেটা অবশ্য রাতের ছবি। দেওয়ালে বিরাট ছায়া। প্রিয়ঙ্কা লেখেন, ‘‘দেখে মনে হবে দৈত্যাকার ইঁদুর, কিন্তু এ যে আমি।’’ নতুন বাড়িতে প্রথম রাত যে নির্বিঘ্নে কেটেছে, তা প্রিয়ঙ্কার পোস্টেই স্পষ্ট।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।