শীতে গলায় বুকে কফ জমে নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট ?রইলো সমাধানের উপায়

2nd February 2024 10:38 pm Country News
শীতে গলায় বুকে কফ জমে নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট ?রইলো সমাধানের উপায়


অনেকেই আছেন, শীতের শুরুতে ঠান্ডা লাগার সমস্যায় ভোগেন। ফলে সর্দি-কাশি, গলা ব্যথা, বুকে কফ জমার সমস্যা দেখা যায়। এগুলো সাধারণ সমস্যা মনে হলেও, সময় মতো এর চিকিত্‍সা না করা হলে শ্বাসযন্ত্রের ক্ষতি করতে পারে। তবে চিকিত্‍সকের কাছে যাওয়ার আগে আপনি ঘরোয়া উপায়ে এই সব সমস্যা কমানোর প্রাথমিক চেষ্টা করতে পারেন।তাহলে চলুন জেনে নেই এমন কিছু ঘরোয়া উপায়, যা গলায় ও বুকে কফ জমার সমস্যা উপশমে বিশেষ কার্যকরী-

লবণ জল দিয়ে গার্গল করুন

লবণ জল দিয়ে গার্গল করলে গলা দ্রুত পরিষ্কার হয়। এক গ্লাস গরম জলে ২-৩ টেবিল চামচ লবণ মেশান। এটি দিয়ে ভালো ভাবে গার্গল করুন। প্রতিদিন দুই বেলা দুই থেকে তিন ঘণ্টা অন্তর গার্গল করুন। আপার রেসপিরেটরি ট্র্যাক্ট সংক্রমণ প্রতিরোধেও এই ঘরোয়া চিকিত্‍সা দারুণ কার্যকর।

খেতে হবে মধু ও আদা

এক টেবিল চামচ মধুর সঙ্গে এক চা চামচ আদার রস মিশিয়ে খেতে হবে। গলা ব্যথা এবং শুষ্ক কাশি উপশমের জন্য প্রতিদিন তিনবার খান এটি। আদা গলা ব্যথা কমায়, মধু কাশি নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।

ভেষজ চা খান

পিপারমিন্ট চা কফের চিকিত্‍সায় কার্যকর। এতে অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি, অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট গুণ রয়েছে। এই বৈশিষ্ট্যগুলো শ্বাসনালী পরিষ্কার করতে সাহায্য করে।

এসেনশিয়াল অয়েল দিয়ে স্টিম নিতে হবে

কফ পাতলা করার জন্য স্টিম নিন। দিনে একবার বা দুইবার এটি করতে পারেন। স্টিম নিলে আপনার শ্বাসযন্ত্রের ট্র্যাক্টে জমে থাকা কফ পরিষ্কার হবে। তবে গরম জলে কয়েক ফোঁটা এসেনশিয়াল অয়েল মেশালে এটি আরও কার্যকর হতে পারে।

পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে কফের সমস্যা দূর করতে খাওয়া-দাওয়ারও দিকে নজর দিন। এলাচ, পেঁয়াজ, আনারস, আদা, রসুন এবং গোলমরিচ বেশি বেশি খেতে হবে।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।