ল্যাপটপ মোবাইল চালানোর সময় আঙ্গুলে ব্যথা? হতে পারে এই রোগের লক্ষণ ট্রাই করুন ৩ ঘরোয়া প্রতিকার কার্যকর হবে

2nd February 2024 9:29 pm Country News
ল্যাপটপ মোবাইল চালানোর সময় আঙ্গুলে ব্যথা? হতে পারে এই রোগের লক্ষণ ট্রাই করুন ৩ ঘরোয়া প্রতিকার কার্যকর হবে


ল্যাপটপ বা মোবাইল ব্যবহার করার সময় যদি আপনার আঙ্গুল ব্যথা শুরু হয়, তাহলে অবহেলা করবেন না। আজকাল মানুষ মোবাইল ও ল্যাপটপ ব্যবহার করে ঘন্টার পর ঘন্টা ব্যয় করেন।তারা অনেক সময় তাদের আঙ্গুলের জয়েন্টগুলোতে ব্যথা এবং শক্ততা অনুভব করে। এর পেছনে কারণ হতে পারে শরীরে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা বেড়ে যাওয়া।ইউরিক অ্যাসিড এমন একটি উপাদান, যা শরীরে অতিরিক্ত হলে নানা সমস্যা হতে পারে। জয়েন্টে ব্যথা এবং শক্ত হওয়া এর মধ্যে প্রধান। আর্থ্রাইটিসের প্রধান কারণ হল উচ্চ ইউরিক অ্যাসিড।

ইউরিক অ্যাসিড বৃদ্ধি উপেক্ষা করবেন না

আমাদের শরীরে উত্‍পন্ন ইউরিক অ্যাসিডের বেশিরভাগই রক্তে মিশে যায়। এর পর কিডনি ফিল্টার করে শরীর থেকে বের করে দেয়। যদি শরীরে অতিরিক্ত ইউরিক অ্যাসিড তৈরি হতে থাকে, তবে কিডনি এটি সম্পূর্ণরূপে ফিল্টার করতে পারে না এবং এটি শরীরের জয়েন্টগুলিতে জমতে শুরু করে ও এর কারণে বাতের মতো মারাত্মক রোগ হতে শুরু করে। ইউরিক অ্যাসিডের বৃদ্ধিও জয়েন্টের ব্যথার জন্য দায়ী।

ঘরোয়া উপায়ে ইউরিক অ্যাসিড কমবে

আপনার শরীরে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে জানা যাবে। ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা বেড়ে গেলে কিছু ঘরোয়া প্রতিকার কার্যকর হতে পারে। আসুন এই সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক -

আপেল ভিনেগার- আপেল ভিনেগার ইউরিক অ্যাসিড কমাতে সহায়ক হতে পারে। এনসিবিআই-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রতিদিন এক গ্লাস জলে এক চামচ অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার খেলে ইউরিক অ্যাসিড কমাতে সাহায্য করে। এর পাশাপাশি দিনে অন্তত একটি আপেল খান।

সেলারি বা আজওয়ান - সেলারি খাওয়া, যা ওমেগা ৬ ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধ, ইউরিক অ্যাসিড কমাতে পারে। এর জন্য শুকনো সেলারি বীজ ফাটিয়ে ওপর থেকে জল দিয়ে পান করুন। কিডনির কার্যকারিতা উন্নত করার পাশাপাশি সেলারি রক্ত বিশুদ্ধ করতে কাজ করে। কিডনি ঠিকমতো কাজ করলে শরীরে ইউরিক অ্যাসিড জমে যাওয়ার আশঙ্কা কমে।

 





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।