সম্মান, গাড়ি আর ট্রফিই নয়, ‘বিগ বস্‌’ জিতে মুনাওয়ারের ব্যাঙ্কে ঢুকল মোটা টাকাও! কত পেলেন?

31st January 2024 1:41 pm Country News
সম্মান, গাড়ি আর ট্রফিই নয়, ‘বিগ বস্‌’ জিতে মুনাওয়ারের ব্যাঙ্কে ঢুকল মোটা টাকাও! কত পেলেন?


অঙ্কিতা লোখন্ডে, মন্নরা চোপড়া, অভিষেক কুমারের মতো প্রতিদ্বন্দ্বীদের হারিয়ে ‘বিগ বস্‌ ১৭’ জিতেছেন কৌতুকশিল্পী মুনাওয়ার ফারুকি। তবে এই জয়ের পথ কিন্তু একেবারেই সহজ ছিল না মুনাওয়ারের কাছে। এই তিন মাস ধরে ‘বিগ বস্‌’-এর প্রতিটি পর্ব যাঁরা মন দিয়ে দেখেছেন, তাঁরা জানেন, মুনাওয়ার কম লড়াই করেননি। সকলেই যথেষ্ট যোগ্য প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন। কিন্তু সবাইকে পিছনে ফেলে দিয়ে যে মুনাওয়ারের মাথায় বিজয়ীর শিরোপা উঠবে, তা অনেকের পক্ষেই ভাবা অসম্ভব ছিল।

৩১ বছরের এই কৌতুকশিল্পী সম্মান, বিজয়ীর খেতাব তো পেয়েছেনই, সেই সঙ্গে ‘বিগ বস্‌ ১৭’ জিতে পেলেন মোটা অঙ্কের আর্থিক পুরস্কারও। ‘বিগ বস্‌’-এ জয়ী হয়ে মুনাওয়ার পেয়েছেন ৫০ লক্ষ টাকা। সেটা শুধুমাত্র তাঁর বিজয়ী হওয়ার পুরস্কার। কিন্তু এই তিন মাস ধরে যে ‘বিগ বস্‌’-এর ঘরে কাটালেন, তার জন্যেও কিন্তু পর্বপিছু বাড়তি পারিশ্রমিক পেয়েছেন মুনাওয়ার। সূত্রের খবর, প্রতি সপ্তাহে ৭-৮ লক্ষ টাকা দাবি করেছিলেন মুনাওয়ার। তাঁর দাবি মেনে নেওয়া হয়েছিল বলেই সম্ভবত খেলার জন্য রাজি হয়েছিলেন। খেলার শেষ পর্যন্ত ছিলেন মুনাওয়ার। ফলে হিসাব করলে দেখা যাচ্ছে পারিশ্রমিকও পেয়েছেন অনেকটা টাকা। এ ছাড়াও একটা গাড়ি পেয়েছেন। মুনাওয়ারের গ্যারেজে এখন থেকে শোভা পাবে একটি হুন্ডাই ক্রেটাও।

জেতার পর মুনাওয়ার বলেন, ‘‘গোটা সফরটা আপনি যখন সম্মানের সঙ্গে শেষ করেন, তখন শুধু পুরস্কার নয়, সব কিছুই গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে হয়। এই জয় আমার জন্য অত্যন্ত জরুরি ছিল।’’ তবে ‘বিগ বস্’ থেকে যে পারিশ্রমিক তিনি পেলেন, সেই টাকা দিয়ে তিনি কী করবেন, সেটা অবশ্য বলেননি মুনাওয়ার।

অনেকেই ধরে নিয়েছিলেন অঙ্কিতা বিজেতা হবেন। ঘটনাচক্রে অঙ্কিতা যদি পরাজিতও হন, তা হলে মন্নরা যে জয়ী হবেন, সে বিষয়ে নিশ্চিত ছিলেন অনেকেই। কিন্তু দর্শক এবং ফিনালেতে ওঠা প্রতিযোগীদের চমকে দিয়ে সলমন বিজয়ী হিসাবে নাম ঘোষণা করেন মুনাওয়ারের। ‘বিগ বস্‌’-এর ঘরে মুনাওয়ারের তিন মাসের লড়াই অবশেষে সফল হয়েছে।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।