সকালে বিভিন্ন রকমের বাদাম, শুকনো ফল খাওয়ার অভ্যাস ভাল! সঠিক সময়ে না খেলে ক্ষতি হতে পারে

31st January 2024 1:39 pm Country News
সকালে বিভিন্ন রকমের বাদাম, শুকনো ফল খাওয়ার অভ্যাস ভাল! সঠিক সময়ে না খেলে ক্ষতি হতে পারে


আগের দিন রাতে ভেজানো নানা রকম বাদাম এবং শুকনো ফল খেয়ে দিন শুরু করেন। শরীরে প্রোটিন, ভিটামিন, নানা রকম খনিজের ঘাটতি পূরণ করতে এই ধরনের খাবার নিয়মিত খেতে বলেন পুষ্টিবিদেরা। তবে এই ধরনের খাবারে যে হেতু ক্যালোরির পরিমাণ বেশি, তাই তা খেতে হয় পরিমিত পরিমাণে। পাশাপাশি, বাদাম, শুকনো ফল সহজপাচ্য করে তোলার জন্যে জলে ভিজিয়ে রাখার পরামর্শ দেন পুষ্টিবিদেরা। এই ধরনের খাবার থেকে অতিরিক্ত মিষ্টি ভাব কমে যেতে পারে ভিজিয়ে রাখলে। তবে কাঠবাদাম, কাজুবাদাম, পেস্তাবাদাম, আখরোট, ডুমুর, খেজুর, নানা রকম বেরিজাতীয় ফল কিন্তু বেশি খেলে বিপদ। খাওয়ার সময়ের উপরেও কিন্তু স্বাস্থ্যের ভাল-মন্দ নির্ভর করে। এই সব খাবার সকালে খাওয়া গেলেও তালিকা থেকে বাদ দিতে হবে কিশমিশ।

১) কাঠবাদাম

 

প্রোটিন, স্বাস্থ্যকর ফ্যাট, ভিটামিন ই-এর গুণে সমৃদ্ধ কাঠবাদাম রক্তে খারাপ কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখে। ত্বক এবং চুলের জন্যেও ভাল এই বাদাম।

২) আখরোট

 

ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড এবং অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টে ভরপুর আখরোট হার্ট, মস্তিষ্ক এবং চোখের যত্ন নেয়। প্রদাহ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে এই বাদাম।

 

৩) খেজুর

 

প্রাকৃতিক শর্করা এবং ফাইবারে ভরপুর খেজুর কোষ্ঠকাঠিন্য নিরাময়ে করে। শরীরচর্চা করার পর খুব ক্লান্ত হয়ে পড়লে তৎক্ষণাৎ চনমনে ভাব আনতেও সাহায্য করে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তুলতেও খেজুরের জুড়ি মেলা ভার।

 

৪) শুকনো ডুমুর

 

ক্যালশিয়াম, ফাইবার, অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টে ভরপুর শুকনো ডুমুর বা ফিগ হাড়ের জন্য ভাল। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে, প্রদাহ কমাতেও শুকনো ডুমুরের ভূমিকা রয়েছে।

৫) কিশমিশ

 

বিভিন্ন রকমের শুকনো ফলের মধ্যে কিশমিশও থাকে। বিশেষ এক ধরনের আঙুর শুকিয়ে তৈরি হয় কিশমিশ। দেখতে নিরীহ হলেও অন্যান্য শুকনো ফলের সঙ্গে সকালে কিশমিশ খেলে কিন্তু বিপদ। কারণ, কিশমিশের মধ্যে শর্করার পরিমাণ অনেক বেশি। তাই ডায়াবেটিকদের জন্য কিশমিশ মোটেই ভাল নয়। আবার, দাঁত ক্ষয়ে যাওয়ার পিছনেও কিন্তু এই কিশমিশের হাত রয়েছে। তাই সকালে এই শুকনো ফলটি না খাওয়াই ভাল।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।