যৌনজীবন সতেজ থাকবে, মনও হবে ফুরফুরে! দাওয়াই হতে পারে একটি ভেষজ। কী এই ভেষজ?

30th January 2024 5:52 pm Country News
যৌনজীবন সতেজ থাকবে, মনও হবে ফুরফুরে! দাওয়াই হতে পারে একটি ভেষজ। কী এই ভেষজ?


শীতকালে হাতে পায়ে ব্যথা, হালকা সর্দি-কাশি লেগেই থাকে। আর এমন সমস্যা হলেই মুঠো মুঠো ওযুধ খাওয়ার অভ্যাস আছে অনেকের। তাত্ক্ষণিক আরাম পেলেও চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক ও বেদনানাশক ওষুধ খাওয়ার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া অনেক। এই সব সমস্যার দাওয়াই হতে পারে অশ্বগন্ধা। এ ছাড়াও বাতের ব্যথা, অনিদ্রা থেকে বার্ধক্যজনিত সমস্যা— এ সব সমস্যা নিরাময়েও অশ্বগন্ধার কোনও বিকল্প নেই। অশ্বগন্ধায় থাকে এলকালয়েড এবং স্টেরইডাল লেক্টন্স নামক যৌগ। এ ছাড়াও এতে আছে উইথেনাইন, এনাফেরিনিন, এনাহাইড্রিন, ফ্যাটি অ্যাসিড, অ্যামাইনো এসিড ইত্যাদি। প্রাচীনকাল থেকেই আয়ুর্বেদিক চিকিৎসাশাস্ত্রে অশ্বগন্ধা ব্যবহৃত হয়ে আসছে। শরীর চাঙ্গা রাখতে এই ভেষজ কী ভাবে কাজে লাগে, রইল তার হদিস।

১) শীতকালে সর্দি-কাশি গলা ব্যথার সমস্যা থেকে রেহাই পেতে অশ্বগন্ধার মূল গুঁড়ো করে খাওয়া যেতে পারে। ক্রনিক ব্রংকাইটিসের ক্ষেত্রেও অশ্বগন্ধা কাজে আসে। শ্বাসকষ্ট থাকলেও এই ভেষজ খেলে উপকার পাবেন।

 

২) শীতকালে পার্টি, পিকনিক, বিয়েবাড়ি লেগেই থাকে। এই মরসুমে গ্যাস, আলসার, পেটব্যথা নিরাময়ে ভীষণ উপকারী অশ্বগন্ধা। হজমের সমস্যা থাকলেও এই দাওয়াইয়ের উপর ভরসা রাখতে পারেন।

৩) অশ্বগন্ধা শরীরে দ্রুত শক্তি এনে শরীর চাঙ্গা করে। অশ্বগন্ধার মূল ও পাতা স্নায়ুর বিভিন্ন রোগের উপশমেও কাজে আসে।

৪) যৌনজীবনে ভাটা পড়েছে? শুক্রাণুর সংখ্যা বৃদ্ধি করতেও অশ্বগন্ধার ভূমিকা অপরিসীম। শরীরে টেস্টোস্টেরন হরমোনের ক্ষরণও বাড়ায় এই ভেষজ।

 

৫) মানসিক চাপের কারণে ইদানীং ঘরে ঘরে অনিদ্রার সমস্যায় ভুগছেন মানুষ। ভাল ঘুমের জন্য চিনি-সহ অশ্বগন্ধা গুঁড়ো ঘুমোনোর আগে খেতে পারেন। এতে অনিদ্রার সমস্যা দূর হবে। মানসিক ও শারীরিক দুর্বলতা, যেমন মাথা ঝিমঝিম করে ওঠা, হঠাৎ সংজ্ঞাহীনতা, অবসাদ কাটাতেও অশ্বগন্ধা সাহায্য করে। মনোযোগ বাড়াতে পারে অশ্বগন্ধার ভেষজ গুণ।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।