দুধের সঙ্গে ৫ খাবার কখনও খাবেন না, নচেৎ মাঘের শীতে ছুটতে হবে চিকিৎসকের কাছে

28th January 2024 6:15 pm Country News
দুধের সঙ্গে ৫ খাবার কখনও খাবেন না, নচেৎ মাঘের শীতে ছুটতে হবে চিকিৎসকের কাছে


সুস্থ থাকতে দুধ খাওয়ার কোনও বিকল্প নেই। বয়স যাই হোক, ভিতর থেকে ফিট থাকতে দুধ হল অপরিহার্য। মাছ, মাংস, ডিম, শাকসব্জির স্বাস্থ্যগুণের সঙ্গে সমান তালে পাল্লা দেয় দুধ। কিছু ক্ষেত্রে উপকারিতার দিক থেকে দুধ এগিয়ে যায়। প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করা থেকে হাড় শক্তিশালী করে তোলা, দুধের ক্ষমতা সত্যিই অপরিহার্য। শুধু তো হাড় নয়, দাঁতের যত্নেও দুধ কম উপকারী নয়। দুধ হল ক্যালশিয়ামের সমৃদ্ধ উৎস। দুধ না খেলে ক্যালশিয়ামের ঘাটতি তৈরি হয় শরীরে। সেখান থেকেই নানা শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে শুরু করে। তাই দুধ খাওয়া বন্ধ করে দিলে চলবে না। অনেকেরই দুধ খেলে গ্যাস-অম্বল হয়। সেই বিষয়টি আলাদা। তেমন কোনও সমস্যা না থাকলে দুধ খেলে সুফল পাবেন। তবে কিছু খাবার দুধের সঙ্গে খাবেন না। তাহলে কিন্তু হিতে-বিপরীত হতে পারে।

টক ফল

 

দুধ খাওয়ার আগে কিংবা পরে টকজাতীয় ফল খাবেন না। দুধ খেয়েছেন কিছু ক্ষণ আগেই, ঠিক তার কয়েক মিনিট পরে যদি আঙুর, কমলালেবু খান তাহলে মুশকিলে পড়তে পারেন। কারণ এ ধরনের ফলে সাইট্রিক অ্যাসিড এবং ভিটামিন সি রয়েছে। যা দুধের সঙ্গে মিশে হজমের গোলমাল ঘটাতে পারে। বুক জ্বালা, চোয়া ঢেঁকুর ওঠাও অস্বাভাবিক কিছু নয়।

মাছ কিংবা মাংস

 

পুষ্টির অন্যতম উৎস হল প্রাণিজ প্রোটিন। দুধেও পুষ্টি কম নেই। তবে আমিষ খাবারের সঙ্গে দুধ খেলে সত্যিই মুশকিলে প়ড়তে পারেন। প্রয়োজনের তুলনায় বেশি প্রোটিন আবার শরীরে অন্দরে অন্য অনেক সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে।

 

দই

 

দুধ থেকে দইয়ের জন্ম হলেও একসঙ্গে এই দুই খাবার খাওয়া যাবে না। কিংবা একটার পর অন্যটি খেলেও বিপদে পড়তে হতে পারে। আলাদা ভাবে খেলে কোনও সমস্যা হওয়ার কথা নয়। অন্যথায় বদহজমের সমস্যা শুরু হতে পারে।

পেঁয়াজ

 

দুধ খাওয়ার পরেই কাঁচা পেঁয়াজ খাবেন না। এতে শরীরের অন্দরে নানা অস্বস্তির জন্ম দেয়। ত্বকে এর প্রভাব পড়তে পারে। অ্যালার্জি হতে পারে। হাত, পা চুলকানোর আশঙ্কাও একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যায় না।

 

মশলাদার খাবার

 

ভাজাভুজি, মশলাদার খাবার খেলে শরীর ভিতর থেকে গরম হয়ে যায়। তার পরেই যদি দুধ খান, তাহলে শারীরিক অবস্থা অবনতির দিকে যেতে পারে। বদহজমের ঝুঁকি থাকে। সেই সঙ্গে বমি হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে। তাই ঝুঁকি না নেওয়াই ভাল।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।