ব্রণ কমানোর উপায় খুঁজছেন? বেছেনিন স্পট ট্রিটমেন্ট এক মাসেই পাবেন ফল

27th January 2024 7:45 pm Country News
ব্রণ কমানোর উপায় খুঁজছেন? বেছেনিন স্পট ট্রিটমেন্ট এক মাসেই পাবেন ফল


তকের সমস্যার মধ্যে সবচেয়ে পরিচিত সমস্যা হলো ব্রণ। জীবনযাপনে নিয়মহীনতা, মানসিক চাপ, অনিদ্রা, অপুষ্টি, দূষণ- এমন আরও অনেক কারণই ব্রণের জন্য দায়ী। ব্রণ থেকে চুলকানি, দাগ এসব তো আছেই! ব্রণের সমস্যায় বেশি ভুগে থাকেন তৈলাক্ত ত্বকের অধিকারীরা। এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে নানাজন নানাকিছু ব্যবহার করেন।কিন্তু বাজার থেকে কেনা কেমিক্যালযুক্ত পণ্য বেশিরভাগ সময়ে উপকারের বদলে অপকার ডেকে আনে।বোল্ডস্কাই প্রকাশ করেছে এমন একটি ঘরোয়া প্রতিকারের কথা বলব, যা ব্যবহার করলে আপনি ত্বকের বিভিন্ন সমস্যা থেকে মু্ক্তি পাওয়া সম্ভব। সেটি হলো গাজরের রস। গাজরের জুস ভিটামিন এ এবং সি-এর সমৃদ্ধ উত্‍স। ভিটামিন এ হল প্রাকৃতিক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা ত্বকের জন্য খুব উপকারী। এটি ত্বককে সূর্যের ক্ষতিকারক রশ্মি থেকে রক্ষা করে, পাশাপাশি ব্রণ কমাতেও সহায়তা করে।

গাজরের জুসের মাস্ক

ত্বককে রক্ষা করতে এবং ব্রণ দূর করতে গাজরের রস সরাসরি মুখে লাগাতে পারেন। প্রথমে ক্লিনজার দিয়ে মুখ পরিষ্কার করে শুকিয়ে নিন। এরপর গাজরের রসে কটন প্যাড ভালেভাবে ডুবিয়ে এটি পুরো মুখে লাগান। পুরোপুরি না শুকোনো পর্যন্ত মুখে রেখে দিন। এরপর ভালোভাবে মুখ ধুয়ে ফেলুন। কাঙ্ক্ষিত ফলের জন্য প্রতিদিন এটি ব্যবহার করুন।

গাজরের জুস এবং সি সল্ট

১ টেবিল চামচ গাজরের রস ও ১ চা চামচ সি সল্ট নিয়ে ভালোভাবে মেশান। কটন প্যাড ব্যবহার করে আক্রান্ত জায়গায় মিশ্রণটি লাগান। কিছুক্ষণ আলতো করে মুখ ম্যাসাজ করুন। পুরোপুরি শুকিয়ে না যাওয়া পর্যন্ত এটি আপনার মুখে রেখে দিন। এরপর হালকা গরম জলে ধুয়ে ফেলুন। একদিন পরপর এটি ব্যবহার করুন।

গাজরের জুস এবং অলিভ অয়েল

২ টেবিল চামচ গাজরের রস ও ১ চা চামচ অলিভ অয়েল ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। এরপর কটন প্যাড ব্যবহার করে আক্রান্ত স্থানে মিশ্রণটি প্রয়োগ করুন। ১৫ মিনিট রেখে তারপর ভালোভাবে ধুয়ে ফেলুন। এই প্রতিকারটি সপ্তাহে একবার করুন।

গাজরের জুস এবং মুলতানি মাটি

একটি গাজরের রস ও পরিমাণমতো মুলতানি মাটির গুঁড়া একসঙ্গে ভালোভাবে মেশান। এবার এই পেস্টটি আপনার মুখে লাগান। ১৫ মিনিট রেখে হালকা গরম জল দিয়ে ভালোভাবে মুখ ধুয়ে ফেলুন। 





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।