ঘাড় ও গলার কালো দাগ দূর করতে ব্যবহার করুন কিছু ঘরোয়া টিপস

16th January 2024 8:38 pm Country News
ঘাড় ও গলার কালো দাগ দূর করতে ব্যবহার করুন কিছু ঘরোয়া টিপস


তক নিয়ে সচেতনতা কম-বেশি সবার মাঝেই থাকে। মুখের রঙের উজ্জ্বলতাকেও ম্লান করে দেয় গলা ও ঘাড়ের কালচে দাগ। এ সমস্যা নিয়ে অনেকেই বিব্রতবোধ করেন।চেহারার পুরো সৌন্দর্যকেই মাটি করে দেয় ঘাড় ও গলার কালো দাগ। এর পেছনের কারণ হতে পারে কেমিকেলযুক্ত প্রসাধনী ব্যবহার, সানট্যান এমনকি ডায়াবেটিসও!অনেকেই বাজারচলতি বেশ কিছু প্রসাধনী ব্যবহার করে থাকেন ঘাড় বা গলার কালো দাগ ওঠানোর জন্য। তবে তা কালচে দাগ আরও গাঢ় করে দিতে পারে। কারণ এসব প্রসাধনীতে বিভিন্ন কেমিক্যাল মেশানো থাকে। তাই প্রাকৃতিক উপায়েই রান্নাঘরের কয়েকটি উপাদান ব্যবহার করেই ঘাড় ও গলার কালচে দাগ দূর করতে পারেন। প্রাকৃতিক উপায়গুলো এক নজরে জেন নিন-

অ্যালোভেরা জেল

স্বাস্থ্যের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের পাশাপাশি অ্যালোভেরা ত্বকের যত্নেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। অ্যালোভেরায় উপস্থিত খনিজ এবং ভিটামিন উপাদানসমূহ ত্বকে মেলানিন উত্‍পাদন সীমাবদ্ধ করে কালচে দাগ কমায়।

এজন্য একটি অ্যালোভেরার পাতা কেটে জেল বের করে নিন। তারপর আপনার ঘাড়ে জেল লাগিয়ে কয়েক মিনিটের জন্য স্ক্রাব করুন। আধা ঘণ্টা এভাবে রেখে জল দিয়ে ঘাড় ধুয়ে ফেলুন। নিয়মিত ব্যবহারে গলা ও ঘাড়ের কালচে দাগ দূর হবে।

আপেল সিডার ভিনেগার

এটি ত্বকে জমা হওয়া মৃত কোষ দূর করতে সাহায্য করে। এজন্য ২ টেবিল চামচ আপেল সিডার ভিনেগারের সঙ্গে সামান্য জল মিশিয়ে একটি তুলার বল ডুবিয়ে ঘাড়ে ব্যবহার করুন। কয়েক মিনিট রেখে দিন এবং তারপরে ধুয়ে ফেলুন।

বাদাম তেল

আমন্ড অয়েল ত্বকের যত্নে দারুণ কার্যকরী। বাদামের তেলে ভিটামিন ই এবং ব্লিচিং এজেন্ট আছে। উভয় উপাদানই একসঙ্গে ত্বকের রং উজ্জ্বল করে। কয়েক ফোঁটা বাদাম তেল কয়েক মিনিটের জন্য ঘাড়ে ম্যাসেজ করুন। নিয়মিত ব্যবহারে উপকার মিলবে।

টকদই

দইতে প্রাকৃতিক এনজাইম আছে, যা ত্বককে হালকা করতে সহায়তা করে। ২ টেবিল চামচ টকদই ঘাড়ে লাগান। পনের মিনিটের জন্য রেখে জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

আলু

প্রাকৃতিক ব্লিচিং বৈশিষ্ট্য আছে আলুতে। যা ত্বক ও ঘাড়ের কালো দাগ হালকা করে। একটি আলু কুচি করে রস বের করে গলায় ও ঘাড়ে ব্যবহার করে ১৫ মিনিটের জন্য রেখে দি





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।