চচ্চড়ি কিংবা ঘণ্ট নয়, গরম ভাতের সঙ্গে চেখে দেখুন পালং শাকের ভর্তা, রইল রেসিপি

9th January 2024 9:40 pm Country News
চচ্চড়ি কিংবা ঘণ্ট নয়, গরম ভাতের সঙ্গে চেখে দেখুন পালং শাকের ভর্তা, রইল রেসিপি


ভাতের সঙ্গে প্রথম পাতে প্রতি দিন হয় তেতো, নয়তো শাক খাওয়ার চল বহু পুরনো। সে যত তাড়াই থাকুক না কেন, কাজে বেরোনোর আগে পঞ্চব্যঞ্জন রাঁধতে না পারলেও ডাল, তরকারির সঙ্গে মরসুমি শাক একটু খেতেই হয়। এখন তো বাজারে মেথি আর পালংয়ের রাজত্ব। তবে মেথিশাকের চেয়ে ভাতের সঙ্গে পালং শাক খেতেই বেশি পছন্দ করেন অনেকে। তবে রোজ যদি পালং শাকের চচ্চড়ি কিংবা ঘণ্ট খেতে ইচ্ছে না করে, তা হলে চট করে বানিয়ে ফেলতে পারেন পালং শাকের ভর্তা। এই রান্না করতে খুব বেশি সময় লাগে না। তাই কাজে বেরোনর আগেও রেঁধে ফেলা যায়। কিন্তু কী ভাবে রাঁধবেন? পালংয়ের ভর্তা তৈরির রেসিপি রইল এখানে।

পেঁয়াজ কুচি: ১ কাপ

 

রসুন: ৬-৭ কোয়া

 

কাঁচালঙ্কা : ২টি

 

কালো জিরে: ১ চা চামচ

 

সর্ষের তেল: ২ টেবিল চামচ

 

নুন: স্বাদ অনুযায়ী

 

প্রণালী

 

১) প্রথমে পালং শাক কেটে, ধুয়ে জল ঝরিয়ে রাখুন।

 

২) এ বার কড়াইতে সামান্য তেল গরম করুন। কালো জিরে এবং রসুনের ফোড়ন দিন।

 

৪) রসুন একটু ভাজা হলে এর মধ্যে দিয়ে দিন পেঁয়াজ কুচি।

 

৫) এ বার ধুয়ে রাখা পালং শাক দিয়ে নাড়তে থাকুন। এই সময়ে নুন এবং কাঁচা লঙ্কাগুলো দিয়ে দিন।

 

৬) ভাল করে নাড়াচাড়া করতে থাকুন। জল শুকিয়ে এলে নামিয়ে ফেলুন।

 

৭) এ বার সমস্ত বিষয়টা শিলে বেটে নিন। মিক্সি বা ব্লেন্ডার ব্যবহার করতেই পারেন। কিন্তু শিলের মতো হবে না।

৮) পরিবেশন করার আগে শুধু উপর থেকে একটু সর্ষের তেল ছড়িয়ে নেবেন। ধোঁয়া ওঠা গরম ভাতের সঙ্গে জমে যাবে পালং শাকের ভর্তা।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।