মা হতে চান দীপিকা! তাঁর ও রণবীরের পরিবারে কবে আসছে নতুন অতিথি?

5th January 2024 8:02 am Country News
মা হতে চান দীপিকা! তাঁর ও রণবীরের পরিবারে কবে আসছে নতুন অতিথি?


বিয়ের আগে বছর ছয়েকের প্রেম। ২০১৫ সালে গোপনে আংটিবদল। তার পরে ২০১৮ সালের নভেম্বর মাসে একে অপরের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধেন বলিউড অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোন ও বলিউড অভিনেতা রণবীর সিংহ। গত বছর নিজেদের পঞ্চম বিবাহবার্ষিকী পালন করেছেন দীপিকা ও রণবীর। দাম্পত্য জীবনে এখন বেশ পোক্ত জায়গায় এসে দাঁড়িয়েছেন যুগল। এ বার মা নিজেদের পরিবারে নতুন সদস্যকে স্বাগত জানাতে চান তাঁরা। মা হতে চান দীপিকা।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজের এই ইচ্ছা কথা প্রকাশ করেছেন বলিউড অভিনেত্রী। দীপিকার কথায়, ‘‘রণবীর আর আমি বাচ্চাদের খুব ভালবাসি। আমরা অপেক্ষা করছি যে দিন আমরা নিজেদের পরিবারে নতুন অতিথিকে নিয়ে আসতে পারব।’’ বিয়ের পাঁচ বছর পর এ বার কি তবে সন্তানধারণের কথা ভাবছেন বাজিরাও-এর মস্তানি? দীপিকা জানান, এখনও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা হলে তিনি উপলব্ধি করতে পারেন যে, তিনি একেবারেই বদলাননি। এ দেশের ও আন্তর্জাতিক স্তরের অন্যতম নামজাদা অভিনেত্রী হওয়া সত্ত্বেও খ্যাতির চাপে নাকি হারিয়ে যায়নি তাঁর সারল্য। নায়িকার মতে, ‘‘আমাদের পেশায়, খ্যাতি ও যশের ভিড়ে নিজেকে হারিয়ে ফেলা খুবই স্বাভাবিক। তবে আমার পরিবারের কোনও সদস্যই বাড়িতে আমাকে ‘তারকা’ বলে মনে করেন না। আমি ও রণবীর আমাদের সন্তানের মধ্যেও সেই বৈশিষ্ট্যগুলো দেখতে চাই।’’

সঞ্জয় লীলা ভন্সালীর ‘গোলিয়োঁ কি রাসলীলা রাম-লীলা’ ছবির সেটে একে অপরের প্রেমে পড়েন রণবীর ও দীপিকা। তার পরে প্রায় ছ’বছরের সম্পর্ক। ২০১৮ সালে সাত পাক ঘোরেন যুগল। তার ঠিক এক বছর আগে বিরাট কোহলির সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধেছিলেন অনুষ্কা শর্মা। বিরুষ্কা এখন এক সন্তানের বাবা-মা। কানাঘুষো, তাঁদের দ্বিতীয় সন্তানও আসতে চলেছে শীঘ্রই। অন্য দিকে, ২০১৮ সালেই হলিউডের পপ তারকা নিক জোনাসকে বিয়ে করেন প্রিয়ঙ্কা চোপড়া। মেয়ে মালতী মেরি চোপড়া জোনাসকে নিয়ে এখন ভরা পরিবার নিক ও প্রিয়ঙ্কার।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।