অর্শের সমস্যায় ভুগছেন? দুধের সঙ্গে হেঁশেলের কোন মশলা মিশিয়ে খেলেই পাবেন রেহাই?

4th January 2024 9:02 am Country News
অর্শের সমস্যায় ভুগছেন? দুধের সঙ্গে হেঁশেলের কোন মশলা মিশিয়ে খেলেই পাবেন রেহাই?


শীতকালীন জলখাবারে হিংয়ের কচুরি পেলে আর কী চাই! আলুর দম হোক কিংবা ধোকার ডালনা— নিরামিষ রান্নার স্বাদ বাড়াতে এক চিমটে হিং যথেষ্ট। তবে শুধু রান্নায় নয়, দাওয়াই হিসাবে হিংয়ের জবাব নেই। পেটের সংক্রমণ থেকে মুখের অরুচি— সবই কেটে যায় হিংয়ের গুণে। শীতকালে সর্দি-কাশি ঠেকাতেও কিন্তু হিং দারুণ উপকারী। এ ছাড়া যৌন উত্তেজনা বৃদ্ধিতেও হিং বেশ কার্যকর। আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে যৌনরোগের অনেক ওষুধেই উপাদান হিসাবে হিং ব্যবহার করা হয়ে থাকে। অনিয়মিত ঋতুঃস্রাবের সমস্যাতেও হিং দারুণ কাজ করে। তবে কেবল রান্নায় নয়, দুধের সঙ্গে হিং মিশিয়ে খেলে তার উপকারিতা বেড়ে যায় আরও কয়েক গুণ। দুধের সঙ্গে হিং খেলে কী কী উপকার পাওয়া যায়?

১) অন্ত্রের প্রদাহ দূর করে।

 

২) নিয়মিত হজমের সমস্যায় ভুগছেন? বদহজম, গ্যাস, পেটে ব্যথা, বমির সমস্যা দূর হয়।

৩) কোষ্ঠকাঠিন্য, পেট খারাপ, পেট ফুলে যাওয়ার মতো সমস্যা থাকলে এই পানীয় খেলে আরাম বোধ হয়। অর্শের সমস্যা থেকেও মুক্তি দেয় এই পানীয়।

 

৪) হিংয়ের মধ্যে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকে। তা কিডনির প্রদাহ দূর করতেও সাহায্য করে। বৃক্কের কার্যকারিতা বৃদ্ধি করে।

 

৫) হিংয়ে থাকা অ্যাসিটিলকোলিন মস্তিষ্কে সঙ্কেত আদান-প্রদানে সাহায্য করে। স্মৃতিশক্তি এবং চেতনা বজায় রাখে।

কী ভাবে বানাবেন এই বিশেষ পানীয়?

 

এক গ্রাম হিং একটি মাটির পাত্রে রেখে ৭২ ঘণ্টা জলে ভিজিয়ে রাখুন। তার পর ২০০ মিলিগ্রাম দুধের সঙ্গে সেই মিশ্রণটি এক চামচ মিশিয়ে সকালে খালি পেটে এবং রাতে খাওয়ার এক ঘন্টা পরে পান করুন।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।