কী ভাবে স্ক্রিনের চড়া আলোর হাত থেকে চোখকে রক্ষা করবেন শিখেনিন টিপস

2nd January 2024 7:43 pm Country News
কী ভাবে স্ক্রিনের চড়া আলোর হাত থেকে চোখকে রক্ষা করবেন শিখেনিন টিপস


স্র্টফোন মানুষের জীবনে এনেছে বিরাট পরিবর্তন। এই স্মার্টফোনের যুগে ঘরে বসে আমরা সমস্ত সুবিধা ভোগ করে থাকি। কিন্তু স্মার্টফোন ব্যবহারের শুধু যে সুবিধাই রয়েছে এমনটি নয়, স্মার্টফোন ব্যবহারের অসুবিধাও রয়েছে।এই স্মার্টফোন আপনার অজান্তেই ডেকে আনছে মারাত্মক বিপদ। বিশেষ করে চোখের ক্ষতি করে।আসুন জেনে নেওয়া যাক কী ভাবে স্ক্রিনের চড়া আলোর হাত থেকে আপনার চোখকে রক্ষা করবেন…

১. মোবাইল অ্যাপগুলো বানানোই হয় যাতে আপনি অধিকাংশ সময় কাটাতে পারেন আপনার সাধের ফোনটির সঙ্গে। অ্যাপের পরিবর্তে ব্যবহার করুন ওয়েবসাইট। ফোন থেকে মুছে দিন সেইসব অ্যাপ যেগুলো বেশিই ব্যবহার করে থাকেন।

২. অ্যাপ স্টোরে খুব শীঘ্রই পাওয়া যাবে 'গো গ্রে' নামক একটি অ্যাপ। এই অ্যাপ সাহায্য করবে ফোনকে নির্ধারিত সময়ে গ্রেস্কেল মোডে রাখতে, যা ফোনের ব্রাইটনেস কম রাখবে। ফলে চোখের উপর চাপও কম পড়বে।

৩. ফোনের অ্যাপের মাধ্যমেই নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারবেন ইন্টারনেট সংযোগকে। যা আপনাকে কিছুক্ষণের জন্য হলেও দূরে রাখবে ফোনের কাছ থেকে।

৪. আপনার ফোনের 'ডু নট ডিসটার্ব' অপশনে গিয়ে সেটাকে অন করে দিন। এছাড়া আপনি যদি হন অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারী, তাহলে প্রথমে ফোনের সেটিংস অপশনে গিয়ে অ্যাপ ও নোটিফিকেশন বার খুলুন। রিসেন্টলি সেন্ট বলে একটি অপশন আসবে সেখান থেকে আপনার পচ্ছন্দসই অ্যাপটি বেছে তার সেটিং পরিবর্তন করুন। তাহলেই বার বার ফোন খুলে দেখার ঝক্কি কমে যাবে, রেহাই পাবে আপনার চোখও।

৫. ফোন থেকে নিজেকে দূরে রাখতে ব্লুটুথ, হেডফোন বা ইয়ার প্যাডের ব্যবহার করুন।

৬. ফোন আসার পর থেকেই সময় দেখার জন্য ঘড়ির বদলে মুঠো ফোনকেই বেছে নিয়েছেন বেশিরভাগ মানুষ। কিন্তু ফোনের পরিবর্তে ব্যবহার করুন 'স্মার্ট ওয়াচ'। স্মার্ট ওয়াচের স্ক্রিন ফোনের চাইতে অনেকটাই ছোট, তাই ভয়ের আশঙ্কাও নেই।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।