লাগে না ডিম দুধ বাড়িতেই নামমাত্র উপকরণে বানান গ্লুটেন ফ্রি কেক

2nd January 2024 7:34 pm Country News
লাগে না ডিম দুধ বাড়িতেই নামমাত্র উপকরণে বানান গ্লুটেন ফ্রি কেক


শীতের বিভিন্ন উত্‍সব, আয়োজন থেকে শুরু করে ঘরোয়া অনুষ্ঠানে কেক ছাড়া ঠিক জমে না। চাইলে ঘরোয়া পদ্ধতিতে খুব সহজে তৈরি করে নিতে পারেন এই কেক। এমনকি দুধ-ডিম ছাড়াই। যাকে বলা হয় গ্লুটেন ফ্রি কেক (Gluten Free Cake)। এই কেক শুধু সুস্বাদুই নয়, স্বাস্থকরও। রইল রেসিপি-গ্লুটেন ফ্রি কেকের উপকরণ (Gluten Free Cake ingredient):

কলা ২টি

কোকো পাউডার ১/৩ কাপ

পিনাট বাটার ১/৩ কাপ

বেকিং সোডা ছোট চামচের হাফ চা চামচ

চিনি গুঁড়ো ১ কাপ

গ্লুটেন ফ্রি কেকের উপকরণ প্রণালী (Gluten Free Cake cooking method)-

প্রথমে একটি বাটিতে কলা ভাল করে চটকে ব্লেন্ড করে নিন। এবার এর সঙ্গে ভাল করে মিশিয়ে নিন পিনাট বাটার। এরপর কলা ও বাটারের মিশ্রণে দিয়ে দিন চিনির গুঁড়ো।

আবারও ভাল করে মিশ্রণটি মিশিয়ে নিন। খেয়াল রাখবেন এই মিশ্রণের ভেতরে যেন কোনও দলা না পেকে থাকে। ছাঁকনির সাহায্যে ছেঁকে কোকো পাউডার মিশিয়ে নিন।

এরপর বেকিং সোডাও মিশিয়ে দিন মিশ্রণে। সব উপকরণ ভাল করে মেশানো হলে একটি ছোট কেক তৈরির টিনে সামান্য তেল ব্রাশ করে নিন। তারপর এই মোল্ডে ঢেলে দিতে হবে কেকের মিশ্রণটি। এরপর আগে থেকেই ওভেনে প্রি-হিট দিয়ে নিন। তারপর ১০-১২ মিনিট ধরে ১৮০ ডিগ্রি সেন্টিগ্ৰেডে বেক করুন দুধ-ডিম ছাড়া কেক। নির্দিষ্ট সময় পর বের করে নিন। ব্যাস তৈরি হয়ে গেল গ্লুটেন ফ্রি কেক।

কোনও ল্যাক্টোজ ইন্টলারেন্ট ব্যক্তি এটি উপভোগ করতে পারেন। এছাড়াও, পিনাট বাটার থাকার কারণে এটি ডায়েটেরও অংশ হয়ে উঠতে পারে। এই কেক স্বাস্থ্যকর হওয়ার পাশাপাশি খেতেও দারুণ সুস্বাদু হয়। অনেকেরই কেক খেলে অ্যাসিডিটির সম্ভাবনা থাকে। তবে, এই গ্লুটেন ফ্রি কেক খেলে সেরকম কোনও অস্বস্তির সম্ভাবনা সেভাবে নেই।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।