২৫ বছর পর রাজ্যে ফের মহিলা বাঙালি স্বরাষ্ট্রসচিব শেষবার ছিলেন জ্যোতি বসুর সময়ে

1st January 2024 10:16 pm Country News
২৫ বছর পর রাজ্যে ফের মহিলা বাঙালি স্বরাষ্ট্রসচিব শেষবার ছিলেন জ্যোতি বসুর সময়ে


রাজ্যের নতুন স্বরাষ্ট্রসচিব হলেন বাঙালি আইএএস অফিসার নন্দিনী চক্রবর্তী। রাজ্যের নতুন মুখ্যসচিবের নাম আগেই ঠিক হয়ে গিয়েছিল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভগবতী প্রসাদ গোপালিকাকে মুখ্যসচিব পদের দায়িত্ব দিয়েছেন।রাজ্যপালের সচিব পদ থেকে অপসারিত নন্দিনীকে এ বার স্বরাষ্ট্রসচিব করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতারাজ্য পুলিশের ডিরেক্টর জেনারেল করা হয়েছে আইপিএস অফিসার রাজীব কুমারকে। প্রশাসন ও পুলিশের শীর্ষ দুই পদে দু'জন অবাঙালি অফিসারকে দায়িত্ব দেওয়ার পর স্বরাষ্ট্র সচিব করা হল এক বাঙালি মহিলা অফিসারকে। স্বরাষ্ট্রসচিব পদের পাশাপাশি পরিষদীয় দফতর ও পর্যটনের প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি হিসাবে অতিরিক্ত দায়িত্বও থাকবে নন্দিনীর।এর আগে বাংলায় স্বরাষ্ট্রসচিব পদে প্রথম মহিলা আইএএস অফিসার ছিলেন লীনা চক্রবর্তী। জ্যোতি বসু মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন ৯৬ সাল থেকে দু'বছরের জন্য এই পদে ছিলেন লীনা। পঁচিশ বছর পর রাজ্যে দ্বিতীয় কোনও মহিলা অফিসারকে স্বরাষ্ট্রসচিব করা হল। স্বরাষ্ট্রসচিব পদে শেষ বাঙালি আমলা ছিলেন আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়।বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই স্বরাষ্ট্র সচিবরা পরবর্তীতে মুখ্যসচিব হন। সেদিক থেকে নন্দিনীর সামনে রাজ্যের প্রথম মহিলা মুখ্যসচিব হওয়ার সুযোগ থাকল। লীনা চক্রবর্তী এই সুযোগ না পেয়ে দিল্লিতে কেন্দ্রীয় সরকারের পদে যোগ দিয়েছিলেন।নন্দিনী চক্রবর্তী ১৯৯৪ ব্যাচের আইএএস অফিসার। অর্থাত্‍ তাঁর তুলনায় আরও সিনিয়র অফিসার রয়েছেন। যেমন বর্তমান অর্থসচিব মনোজ পন্থ ১৯৯১ ব্যাচের আইএএস অফিসার। বিবেক কুমার ১৯৯০ ব্যাচের আইএএস অফিসার। অর্থাত্‍ বেশ কয়েক জনকে টপকে স্বরাষ্ট্রসচিব হলেন নন্দিনী। সেদিক থেকে নতুন স্বরাষ্ট্রসচিব বেছে নেওয়ায় আমলা তথা প্রশাসনিক মহলে চমক দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জমানায় নন্দিনী চক্রবর্তী খুব সুস্থির ভাবে যে বিভিন্ন দফতরের দায়িত্ব সামলাতে পেরেছিলেন তা অবশ্য নয়। এক সময়ে তাঁকে তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরের সচিব পদে বসিয়েছিলেন মমতা। কিন্তু কিছুদিন পরে সরিয়ে দিয়েছিলেন। তাঁকে শিল্পসচিব করা হয়েছিল। সেখানেও তাঁর মেয়াদ দীর্ঘ ছিল না। বর্তমানে পর্যটন সচিব পদে ছিলেন নন্দিনী। 





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।