নতুন বছরে বেশ কয়েকটি পার্টি আছে? ত্বকে জেল্লা আনতে কী ভাবে ব্যবহার করবেন হলুদ

1st January 2024 8:01 am Country News
নতুন বছরে বেশ কয়েকটি পার্টি আছে? ত্বকে জেল্লা আনতে কী ভাবে ব্যবহার করবেন হলুদ


শীতে ত্বকের হাল ক্রমশ খারাপ হতে থাকে। একে এই সময় বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ একেবারে কমে যায়। ফলে টান ধরতে শুরু করে ত্বকে। অন্য দিকে ত্বকের জেল্লাও পুরোপুরি উধাও হয়ে যায় শীতের মরসুমে। নিষ্প্রাণ হয়ে পড়ে ত্বক। প্রসাধনীর ব্যবহারেও ত্বকে জেল্লা আনা সম্ভব হয় না। অথচ শীতেই যত উৎসবের ভিড়। পার্টি, পিকনিক থেকে বড়দিন, নতুন বছর— উদ্‌যাপনের প্রধান অনুষঙ্গ সাজগোজ। নিজেকে সুন্দর দেখাতে শুধু প্রসাধন সামগ্রীর উপর ভরসা রাখলে চলবে না। ত্বকের যত্নে কার্যকরী ঘরোয়া টোটকা হল হলুদ। ত্বকের খেয়াল রাখতে হলুদের ব্যবহার প্রাচীন কাল থেকেই। তবে কী ভাবে ব্যবহার করবেন, জানেন?

১) একটি পাত্রে এক চামচ চন্দনের গুঁড়ো, দু’চামচ লেবুর রস, এক চামচ বেসন ও এক চিমটে হলুদ মেশান। ত্বকের তৈলাক্ত ভাব দূর করতে এই ফেস প্যাক খুব উপকারী।

 

২) মুসুরির ডাল বাটার সঙ্গে এক চিমটে হলুদ মিশিয়ে নিন। এ বার এই মিশ্রণটি ত্বকে ভাল করে লাগিয়ে নিন। মিনিট কুড়ি রেখে ধুয়ে ফেলুন। ত্বকের তৈলাক্ত ভাব দূর হবে। সেই সঙ্গে ত্বকে আসবে বাড়তি ঔজ্জ্বল্য। সপ্তাহে তিন দিন এই প্যাক মাখলে সহজেই ব্রণর সমস্যা কমবে অনেকটা।

৩) শীতে ফাটা ঠোঁটের হাত থেকে বাঁচতে চিনি, হলুদ ও মধুর মিশ্রণ ঠোঁটে মেখে পাঁচ মিনিট রাখুন। শীতে নিয়মিত এই মিশ্রণ ব্যবহার করলে ফাটা ঠোঁটের সমস্যা থেকে সহজেই মুক্তি মিলবে।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।