আসছে বড়দিন, নতুন বছর, বন্ধুদের নিয়ে কোথায় খেতে যাবেন? রইল তার সুলুকসন্ধান

21st December 2023 7:45 pm Country News
আসছে বড়দিন, নতুন বছর, বন্ধুদের নিয়ে কোথায় খেতে যাবেন? রইল তার সুলুকসন্ধান


কমলালেবু না খেলে যেমন শীতের আমেজ পাওয়া যায় না। তেমনই বড়দিন বা নতুন বছরে কেক না খেলে উদ্‌যাপন সম্পূর্ণ হয় না। তবে বন্ধুদের সঙ্গে খেতে গেলে শুধু কেক, পেস্ট্রিতে শেষ হবে না। খানার সঙ্গে একটু আধটু পিনার ব্যবস্থাও থাকতে হবে। উৎসব উপলক্ষে শহরের সঙ্গে সেজে উঠছে বেশ কিছু রেস্তরাঁও। বন্ধুদের সঙ্গে কোথায় যাবেন, পরিবারের সঙ্গেই বা কোথায় খাবেন, রইল তার সুলুকসন্ধান।

১) মাঙ্কি বার

নতুন বছর উদ্‌যাপন করবেন। সঙ্গে থাকুক চিকেন ওয়েলিংটন, অ্যাভোকাডো স্যালাড, গ্রিল্‌ড পর্ক রিব্‌স, ক্লাসিক মাশরুম রিজ়োটোর মতো খাবার। একঘেয়ে রাম, বিয়ার বা ওয়াইন নয়। পানীয়তেও বৈচিত্র রয়েছে। হট বাটার্ড রাম, এগ্‌নগ্‌, ড্রাঙ্কেন স্নোম্যান, ক্রিসমাস পাঞ্চ। ২০ ডিসেম্বর থেকে ১ জানুয়ারির মধ্যে যে কোনও দিন বন্ধুদের সঙ্গে লাঞ্চ অথবা ডিনার সারতে চলে আসতেই পারেন। পানীয়-সহ দু’জনের জন্য খরচ পড়বে ২২০০ টাকা। পানীয় না চাইলে, তা-ও সম্ভব। দু’জনের জন্য খরচ পড়বে ১৬০০ টাকা। অনলাইনে ফুড ডেলিভারি সংস্থাকে অর্ডার দিলে, তারা বাড়িতে খাবার পৌঁছে দেবে।

২) দ্য মিন্ট এনফোল্ড

সারা বছর ডায়েট করলেও পালা-পার্বনের দিনে কি মিষ্টি খাবার না খেয়ে থাকতে পারবেন? নিজে না-ই বা খেলেন, বন্ধু কিংবা আত্মীয়কে উপহার তো দিতেই পারেন। সেই ব্যবস্থা করেছে দ্য মিন্ট এনফোল্ড। বিশেষ একটি ডেজ়ার্ট বোর্ড ব্যবস্থা করেছেন তাঁরা। তার মধ্যে বাছাই করা সব মিষ্টি। চকোলেট চিপ্‌স, ডার্ক চকোলেট, আমন্ড বাটার, জিঞ্জার ক্র্যানবেরি, নানা ধরনের বিস্কুট এবং মরসুমি বিভিন্ন ধরনের শুকনো ফল। বিশেষ এই বোর্ডের মূল্য ৩ হাজার টাকা। অনলাইনে অর্ডার করলেই বাড়িতে বসে পেয়ে যাবেন বিশেষ এই ‘মিষ্টি’ বোর্ড।

 

৩) হার্ড রক ক্যাফে

যে উৎসবই হোক, উদ্‌যাপন করতে যেতেই পারেন হার্ড রক ক্যাফে-তে। ১৫ থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত খানাপিনার বিপুল আয়োজন করেছে তারা। খাবারের পাশাপাশি, ঠান্ডা-গরম নানা ধরনের পানীয়ে চুমুক দিতে পারেন। খরচ পড়বে ৭৫০ টাকার মতো।

 

৪) ইয়াউচা

মাংস খাওয়া ছেড়ে দিয়েছেন? বিরাট কোহলির মতো ভিগান মক মিট দিয়ে তৈরি নানা ধরনের খাবার পাওয়া যায় এখানে। চাইলে চেখে দেখতেই পারেন। ১৫ ডিসেম্বর থেকে ২ জানুয়ারি পর্যন্ত চলবে বড়দিনের উৎসব। এ ছাড়াও স্পাইসি বেসিল চিকেন ডাম্পলিং, ক্রিসপি সিসেমি চিকেনের মতো খাবারও রয়েছে। দু’জনের জন্য খরচ পড়বে ২৫০০ টাকার মতো। ভিড় এড়াতে চাইলে অনলাইনে খাবার অর্ডারও করতে পারেন।

 

৫) ফর্ক অ্যান্ড নাইফ

রাতে পরিবারের সঙ্গে বাইরে খেতে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। তার আগে সহকর্মীদের সঙ্গেও একটু খাওয়াদাওয়া করতে চান। হালকা, স্বাস্থ্যকর খাবার খেতে হলে চলে যান বালিগঞ্জে। সেখানেই রয়েছে ফর্ক অ্যান্ড নাইফ। ‘স্ট্রবেরি স্পিনাচ স্যালাড’ চেখে দেখতেই পারেন। দু’জনের জন্য খরচ পড়বে ১৮০০ টাকা। চাইলে অনলাইনে খাবার অর্ডারও করতে পারেন।

 

৬) বলরাম মল্লিক অ্যান্ড রাধারমন মল্লিক

বাড়ির বয়স্কদের জন্য কেক-পেস্ট্রি কিনতে চান, কিন্তু তা হতে হবে ডিম ছাড়া। সেই ব্যবস্থা করেছে বলরাম মল্লিক। মিনি স্ট্রবেরি পেস্ট্রি, ছানার তিরামিসু, হোয়াইট ফরেস্ট পেস্ট্রি, ফ্রুট কেকের বিপুল সম্ভার রয়েছে সেখানে। খরচ পড়বে ৩০০ টাকার মতো। কলকাতা জুড়ে তাদের একাধিক শাখা রয়েছে। যে কোনও একটিতে গেলেই হল।

 

৭) প্যাপরিকা গোরমে

বড়দিন এবং নতুন বছর উপলক্ষে যাওয়া যায় প্যাপরিকা গোরমে-তে। হাজার একটা খাবার তো রয়েছেই। সঙ্গে রয়েছে নানা রকম চকোলেট, উপহার দিয়ে সাজানো হ্যাম্পার। খরচ শুরু ১০০০ টাকা থেকে।

 

৮) দ্য ভবানীপুর হাউজ়

কিনোয়া, টাসকান পটেটো, লেহমে, পোলো লাজ়িয়ো-মতো খাবার চেখে দেখতে চাইলে আসতে হবে দ্য ভবানীপুর হাউজ়-এ। ডেভিল চকোলেট কেক এবং অ্যাপ্‌ল ক্রাম্বল টার্ট থাকবে শেষ পাতে। খরচ পড়বে ১০০০ টাকার মতো।

 

৯) ট্র্যাফিক গ্যাস্ট্রোপাব

বড়দিন এবং নতুন বছর উপলক্ষে ট্র্যাফিক গ্যাস্ট্রোপাব নিয়ে এসেছে একগুচ্ছ খাবার। গোবি মাঞ্চুরিয়ান, উইন্টার প্রন-স্টার, চিলি গার্লিক সিফুড, পেরি পেরি রোস্টেড চিকেন, চকোলেট বম্ব, বেক্‌ড আলাস্কার মতো খাবার রয়েছে এখানে। রয়েছে অফুরন্ত পানীয়ের ব্যবস্থাও। খরচ পড়বে ২২০০ টাকার মতো।

 

১০) হাউজ় অফ রয়্যাল্‌স

মুর্গ কবাব প্ল্যাটার, চিজ়ি মিট ফ্রাইজ়, ইম্পেরিয়াল চিকেন, চেলো কবাব, ফিশ ম্যুনিয়ার মতো খাবারের স্বাদ চেখে দেখতে চাইলে ঢুঁ মারতে পারেন হাউজ় অফ রয়্যাল্‌স-এ। ১৫ থেকে ৫ জানুয়ারি পর্যন্ত চলছে নিউ ইয়ার ফিয়েস্তা। খরচ শুরু ৬৫০ টাকা থেকে।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।