মাত্র ৪০ মিনিটেই ফিরে পাবেন কুমারীত্ব

20th December 2023 9:23 am Country News
মাত্র ৪০ মিনিটেই ফিরে পাবেন কুমারীত্ব


মাত্র ৪০ মিনিটের একটি অপারেশনেই যে কোনো নারী তার কুমারীত্ব (ভার্জিনিটি) ফিরে পেতে পারেন বলে দাবি করেছেন ভারতের কলকাতার প্লাস্টিক সার্জনরা।ওই চিকিত্‍সকরা জানিয়েছেন, 'ভার্জিনিটি' হারিয়ে ফেলা বলতে আমরা বুঝি, হাইমেন বা সতীচ্ছদ ছিঁড়ে যাওয়া। এই অপারেশনে যোনির এক ইঞ্চি ভিতরে হাইমেনের মত একটি পাতলা আবরণ তৈরি করে দেওয়া হয়।এইটি তাড়াতাড়ি শুকিয়েও যায় এবং কোনো ক্ষত চিহ্নও থাকে না। শুধু অপারেশনের পরে কয়েক সপ্তাহ কোনো ধরনের শরীরচর্চা করার ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা থাকে।'এছাড়া তারা বছরে প্রায় ৫০টি এই ধরনের অপারেশন করছেন। দেশের অন্যত্রও একই চিত্র। দাবি ওই সার্জনদের।চিকিত্‍সকরা জানান, অনেক সময়ে শারীরিক পরিশ্রম, অতিরিক্ত শরীরচর্চা বা নাচের মতো কারণেও হাইমেন ছিঁড়ে যেতে পারে। যদিও এটি খুব জটিল অস্ত্রোপচার নয়, তবে বিশেষজ্ঞ প্লাস্টিক সার্জনকে দিয়েই এই অপারেশন করানো উচিত বলে মনে করেন চিকিত্‍সকরা।তবে একান্তই প্রয়োজন না হলে এই অস্ত্রোপচার না করাই ভালো বলেও পরামর্শ ওই চিকিত্‍সকরা।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।